সব আগের মতই কিন্তু সে থাকবে না
পড়ে থাকবে রুমটি
কিন্তু থাকবেনা হৃদপিন্ডের একটি অংশের পদচারণা।
সকালে, রাতে দড়জায় নাড়তে হবে না আর কড়াটি
ভাঙ্গাতে হবে না কারো রাতে দেরী করে ঘুমুতে যাওয়ার কাঁচা ঘুমটি।
পড়ে থাকবে রুমটির ভেতরে রাখা কম্পিউটার, প্রিন্টার, মিউজিক সিস্টেম
কিন্তু চালাবেনা কেউ সব আগের মত।
পড়ে থাকবে এক প্রকার যুদ্ধ করে কেনা ড্রিল মেশিন, গ্রাইন্ডার মেশিন, স-কাটার মেশিন
বলবেনা এ জিনিষগুলো প্রয়োজনীয়
বলবেনা যখন তখন আমি ড্রিল করে দিচ্ছি, গ্রাইন্ড করে দিচ্ছি,
বলবেনা চল কোন কিছু বানাই।
খাবার টেবিলে বসে বার বার মুরগীর বুক পিসটা আর খুজবেনা কেউ অনেকদিন হয়ত
খুজবেনা আর সলিড গোশতের পিস।
রাত দিন খেটে কেউ প্রিন্টিং এর সাপ্লাইজ গুলো নিশ্চিত করবেনা
যেতে হবে না কখনও পুরান ঢাকা, কখনও বাড্ডা, কখনও বা টঙ্গী।
বুঝতে হবে না তার মনের অভিমানী কথাগুলো
বুঝতে হবেনা তার না প্রকাশ করা কষ্টগুলো
বুঝতে হবে না তার সারা জীবনের বাস্তব সত্য।
দেখতে হবেনা কারও বিপদে উপকার করার দৌড়ে যাওয়ার কোন দৃশ্য।
দেখতে হবে না কোন অভিভাবকের নি:লজ্জের মত পাশে বসতে না চাওয়ার পাগলামীর দৃশ্য।
দরজা খুলে কেউ তাকিয়ে থাকবেনা হাতের দিকে বলবে না কিছু এনেছ?
তবুও জীবন চলবে জীবনের গতিতে
উন্নত হতে চাই তবে বিসর্জন তো দিতেই হবে।
নিজ হাতে ব্যাগ গুছিয়ে পৌছে দিতে হবে আকাশপথের স্টেশনে
ঠায় দাড়িয়ে অবলোকন করতে হবে একটি স্বপ্নের বাস্তব রূপ এ পরিণত হওয়ার প্রত্যাশায়
বিসর্জন দিতে হবে মায়া, বুকে বুক স্পর্শ করার লোভটা।
ঠায় দাড়িয়ে থাকব দূরে উড়ে যাওয়া কোন উড়োজাহাজের উড়ন্ত কোন দৃশ্য দেখার
যেখানে থাকবে আমার হৃদয়ের একটি অংশ।
No comments:
Post a Comment